রাষ্ট্রপতির সঙ্গে অস্ট্রিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, সফররত অস্ট্রিয়ার মন্ত্রীকে বঙ্গভবনে স্বাগত জানিয়ে রাষ্ট্রপতি ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের প্রতি অস্ট্রিয়ার সরকার ও জনগণের নৈতিক সমর্থনের কথা স্মরণ করেন।অস্ট্রিয়ার সাবেক চ্যান্সেলর ব্রুনো ক্রেইস্কিকে ২০১২ সালে ‘বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ সম্মাননা’ দেওয়ার কথাও তুলে ধরেন আবদুল হামিদ।

রাষ্ট্রপতি বলেন, “বাংলাদেশ-অস্ট্রিয়ার মধ্যে বাণিজ্য-বিনিয়োগ সম্পর্ক সম্প্রসারণের বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে।”

তিনি এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেন বলে জানান প্রেস সচিব জয়নাল আবেদীন।

রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশকে সমর্থনের জন্য অস্ট্রিয়ার সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে মিয়ানমারের ওপর অব্যহাত চাপ প্রয়োগের প্রয়োজনীয়তাও তুলে ধরেন।রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবর্তনে আন্তর্জাতিক ফোরামে জোরালো ভূমিকা রাখতে অস্ট্রিয়ার নৈতিক সমর্থনও চান রাষ্ট্রপতি হামিদ।

প্রেস সচিব বলেন, “সাক্ষাতের সময় অস্ট্রিয়ার মন্ত্রী বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের প্রশংসা করেন।”কৃষিক্ষেত্রে বাংলাদেশের উন্নয়ন দৃষ্টান্তমূলক বলেও উল্লেখ করেন ক্নাইসাল।২০১৭ সালে অস্ট্রিয়ার সিভিল এভিয়েশন ও ট্যুরিজম মন্ত্রীর বাংলাদেশ সফরকালে দুই দেশের মধ্যে বিমান সেবা নিয়ে চুক্তি হয়।

রাষ্ট্রপতি আশা করেন, বিমান সেবার সংক্রান্ত ওই চুক্তির ফলে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, পর্যটন এবং সরাসরি ফ্লাইট সেবার মাধ্যমে মানুষের মধ্যে যোগাযোগ বাড়াতে সাহায্য করবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *